নয়া আতঙ্ক এসে গিয়েছে গ্র্যানি!

নিউজ ডেস্ক : ব্লু হোয়েল,মোমোর পর এবার বাংলায় নয়া আতঙ্ক গ্র্যানি৷এই ভুতুড়ে বৃদ্ধার পাল্লায় পড়ে ইতিমধ্যেই নাওয়া-খাওয়া ভুলেছে ময়নাগুড়ির ছেলে-ছোকরারা৷ ময়নাগুড়ির দক্ষিণ খাগড়াবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের হাতিরবাড়ি গ্রামে ইতিমধ্যেই গ্র্যানি গেম খেলতে গিয়ে অসুস্থও হয়ে পড়েছেন কয়েকজন৷আতঙ্কে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন পরিবারের লোকজন৷ব্লু হোয়েল, মোমোর পর এবার গ্র্যানি নতুন করে চিন্তায় ফেলল পুলিশকে৷ভূত তাড়াতে তাই এবার সাইবার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিচ্ছে তারা৷হাতিরবাড়ি গ্রামেই বাড়ি স্কুলপড়ুয়া সুকুমার রায়ের৷সুকুমার জানিয়েছে,তার স্মার্টফোনটিতে ফেসবুক,হোয়াটসঅ্যাপ চললেও ব্লু হোয়েল,মোমো নিয়ে রীতিমত সতর্ক ছিল সে৷এরইমধ্যে গত মঙ্গলবার সুকুমারের ফেসবুক পেজে একটি লিঙ্ক ভেসে ওঠে৷সেটিতে ক্লিক করতেই ফুটে ওঠে ভুতুরে এক বৃদ্ধার মুখ৷ ওই ছাত্র জানায়,এরপর নিজে থেকেই তার মোবাইলটি বন্ধ হয়ে যায়৷আবার নিজে নিজেই চালু হয় মোবাইল৷এরপর থেকে নাকি তার মোবাইলে ভৌতিক সব কাণ্ডকারখানা ঘটছে৷রীতিমত ভয় পেয়ে যায় সে৷আতঙ্ক এতটাই যে জ্বরে পড়ে সে৷সুকুমার এতটাই ভয় পেয়ে যায় যে নিজের মোবাইলটি আছাড় মেরে ভেঙে ফেলে একই ঘটনার শিকার হাতিরবাড়ির বাসিন্দা শিবু লোহার।

শিবু অবশ্য সুকুমারের থেকে বয়সে খানিকটা বড়৷হোয়াটসঅ্যাপে গ্র‍্যানি গেমের লিঙ্ক পেয়ে তা ক্লিক করতেই অদ্ভূতুড়ে কাণ্ডকারখানা ঘটতে শুরু করে তাঁর মোবাইলে৷অসুস্থ হয়ে পড়েন৷তাঁর মা দুলু লোহার জানান,ভয়ে ঘর থেকে বের হওয়াই বন্ধ করে দিয়েছে ছেলে।গোটা গ্রাম জুড়েই এখন ভুতুড়ে বৃদ্ধার চর্চা। স্থানীয় বাসিন্দা দিলীপ রায় জানান, অনেকেরই মোবাইলে ভুতুড়ে বৃদ্ধার লিঙ্ক ঢুকে পড়েছে।কে পাঠাচ্ছে কেন পাঠাচ্ছে কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁরা।পুলিশেই ভরসা রাখছেন তাঁরা৷ময়নাগুড়ি থানার আইসি নন্দকুমার দও জানান, হাতিরবাড়ি গ্রাম থেকে বেশ কয়েকজন অভিযোগ নিয়ে এসেছিল।ব্লু হোয়েল, মোমোর পর গ্র‍্যানি গেম নিয়ে তারাও চিন্তিত৷কে বা কারা এই ধরনের লিঙ্ক পাঠাচ্ছে বোঝা যাচ্ছে না৷সমস্যা সমাধানে সাইবার বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের৷পাশাপাশি এই মারন খেলা সম্পর্কে সচেতন করতে স্কুল কলেজে প্রচার অভিযান চালানো হবে বলেও জানান তিনি।

Please follow and like us:
1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *