Sunday, May 20, 2018
Home > বিশেষ প্রতিবেদন > বিলম্বিত বোধোদয়! কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগ্রহণ

বিলম্বিত বোধোদয়! কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগ্রহণ

নিউজ ডেস্কঃ অবশেষে কড়া নিরাপত্তা বলয়ে জেলায় জেলায় শুরু ভোটগ্রহণ। তবে তা ঘোষিত ভোটের  দিনে না, পঞ্চায়েত ভোটের পুনর্নির্বাচনে। প্রথম দিনে নিরাপত্তার অভাবে ফাঁকা মাঠেই দাদাগিরি দেখিয়ে দাপিয়ে বেড়ায় দুষ্কৃতীরা। একপ্রকার যুদ্ধের চেহারা নেয় উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ। দিনভোর গুলি,বোমার শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন ভোটাররা। চলে দেদার রিগিং, ছাপ্পা ভোট, বুথ দখলের মতো ঘটনা। ভোটের বলি প্রায় ১৯ জন। অথচ ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে একদফা ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট আছে বলেই আশ্বাস মিলেছিল। কিন্তু একদফা ভোটের হিংসা ২০১৩ এর পঞ্চায়েতকেও পিছনে ফেলে দেয়। এরপরই তড়িঘরি সরব হয় বিরোধী শিবির। বিভিন্ন বুথের ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ঝাড়গ্রাম বাদে রাজ্যের সবকটি জেলা মিলিয়ে ৫৭৩ টি বুথে পুনর্নির্বাচনের কথা ঘোষণা করে কমিশন।

 

বুধবার ফের রাজ্যের ৫৭৩ টি বুথে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। তবে এবারের ছবিটা সম্পূর্ণই ভিন্ন। কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ঘেরা প্রতিটি বুথ। সকাল থেকেই উৎসবের মেজাজে ভোট দিতে ভিড় করেছেন ভোটাররা। চোখে, মুখে নেই আতঙ্ক, নেই সন্ত্রাস। প্রশাসনিক নিরাপত্তায় খুশি তাঁরা। কিন্তু প্রথম দিনের ভোটের আগে কেন গণ্ডগোলের আঁচ করতে পারল না প্রশাসন?  কেনই বা এত কম বাহিনী নিয়ে একদফা ভোট করার সাহস দেখাল কমিশন? আগে সচেতন হলে হয়ত রক্ষা পেত বেশ কিছু তরতাজা প্রাণ। পাশাপাশি আগে সচেতন হলে এই প্রথমবার নজিরবিহীন ভাবে এত সংখ্যক বুথে করতে হতো না পুনর্নির্বাচন।  কিন্তু কোর্টে নয়, ভোটে যাদের আস্থা বলে দাবি করেছিলেন তাঁদের জমানায় যে ভাবে রক্তাত্ব হল বাংলার মাটি, এরপর আগামী দিনে কতটা তাঁদের উপর ভরসা করতে পারবেন ভোটাররা? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যের আনাচে-কানাচে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *