Sunday, May 20, 2018
Home > দেশ > মোদি ভয়ের টোটকা, সনিয়ার ভরসা এবার মমতা!

মোদি ভয়ের টোটকা, সনিয়ার ভরসা এবার মমতা!

সৌম্য ভাদুড়ী :  সর্বভারতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেস বড় দল, একথা অনস্বীকার্য। কিন্তু নেতৃত্বের অভাবে যে বারেবারে কংগ্রেসকে বিজেপির কাছে মুখ থুবড়ে পড়ছে, তা সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলিতে স্পষ্ট হয়ে উঠছে ক্রমশই। ফলস্বরূপ আরও একটি রাজ্যে বিজেপির কাছে হার মানতে হল কংগ্রেসকে। মোদীর ক্যারিশ্মার কাছে পরাজিত রাহুল গান্ধীর কৌশল।এই অবস্থায় ২০১৯-এ কী হবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন দেশজুড়ে। তাহলে কি ২০১৯-এ ফের ক্ষমতায় আসতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি? কেননা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব মোদীর ক্যারিশ্মার কাছে ফিকে হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় মোদীকে দিল্লির মসনদ থেকে হটাতে বিজেপি বিরোধী জোটের মুখ হতে হবে রাহুল নয়, অন্য কাউকে।

রাহুলের এই ব্যর্থতায় সর্বভারতীয় রাজনীতিতে বড় দল হয়েও তাঁকে মেনে নিতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো কাউকে। বর্তমান রাজনীতির আঙ্গিকে বলা যেতেই পারে, মোদী বিরোধী মুখ হিসেবে রাহুল গান্ধী নয়, অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্তত কর্ণাটকের ফলাফলের পর রাহুল গান্ধী অনেকটাই পিছিয়ে পড়বেন জোটের মুখ হিসেবে, তা একপ্রকার স্পষ্টই। সেক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথ প্রশস্ত হচ্ছে মোদী বিরোধী জোটের মুখ হিসেবে।

একইভাবে জোটের মুখ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের তলার মাটি অনেক শক্ত হচ্ছে ক্রমশই। নেতা বা নেত্রী হিসেবে অনেক বিচক্ষণতার পরিচয় রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্টোদিকে যেটা একেবারে পারেননি রাহুল গান্ধী। যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক আগেই বলেছিলেন কর্ণাটকে জেডিএসের সঙ্গে জোট গড়লে জয় নিয়ে কোনও সংশয় থাকত না। জয় নিশ্চিত হত।

মমতা প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কংগ্রেসের উচিত সমস্ত আঞ্চলিক দলকে গুরুত্ব দেওয়া। যে রাজ্যে যে আঞ্চলিক দলের ক্ষমতা বেশি, সেখানে তাঁকে গুরুত্ব দিতে হবে, তার উপর নির্ভর করতে হবে কংগ্রেসকে। তবেই বিজেপিকে হারানোর পথ মসৃণ হবে দেশে। মোদী সরকারকে বিদায় জানানো যাবে দিল্লির মসনদ থেকে। নাহলে মোদিকে বিদায় জানান দিবা স্বপ্ন হয়ে থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *